পুরোনো বছরকে বিদায় আর নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে তীব্র শীতকে উপেক্ষা করে সব বয়সি মানুষের ঢল নামে এ স্থানে। নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি অ্যামেরিকার ২৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করতে এ বছর বিখ্যাত বলটি দ্বিতীয়বার আবারও জ্বালানো হয়।
মিলিয়ন মানুষের হর্ষধ্বনিতে ঐতিহাসিক টাইমস স্কয়ারে বরণ করে নেওয়া হলো ২০২৬ সালকে।
পুরোনো বছরকে বিদায় আর নতুন বছরকে স্বাগত জানাতে তীব্র শীতকে উপেক্ষা করে সব বয়সি মানুষের ঢল নামে এ স্থানে। নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর পাশাপাশি অ্যামেরিকার ২৫০ বছর পূর্তি উদযাপন করতে এ বছর বিখ্যাত বলটি দ্বিতীয়বার আবারও জ্বালানো হয়।
ঐতিহাসিক এ মুহূর্তের সাক্ষী হতে পেরে উচ্ছ্বসিত অংশগ্রহণকারীরা।
১৯০৪ সাল থেকে শুরু হওয়া এ আয়োজনের দিকে চোখ থাকে পুরো বিশ্বের মানুষের। অনেকেই স্বপ্ন থাকে জীবনে অন্তত একবার টাইমস স্কয়ারে দাঁড়িয়ে নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর এ মহাযজ্ঞ দেখার। বিকেল না গড়াতেই তাই মানুষের উপচে পড়া ভিড়।
শুধু নিউ ইয়র্ক কিংবা দেশের অন্য স্টেইটের দর্শনার্থী নন, পৃথিবীর বিভিন্ন দেশ থেকেই মানুষ এসেছেন নতুন বছরকে স্বাগত জানানোর এ উৎসবে যোগ দিতে।
কোনো ধরনের হুমকি না থাকলে মিলিয়ন মানুষের এ উদযাপনকে ঘিরে নিরাপত্তার বিষয়টি সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অংশগ্রহণকারীদের উচ্ছ্বাস নির্বিঘ্ন করতে এনওয়াইপিডি, কে নাইন, হেলিকপ্টার, কাউন্টার টেররিজম টিম সার্বক্ষণিক তৎপর ছিল।
দর্শনার্থীদের দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয় মাহেন্দ্রক্ষণটির জন্য। এ সময়টাকে রাঙিয়ে তুলতে জেমস ম্যাকার্থি, সিয়েরা, জাভি, অ্যানা বারবেরার মতো বিশ্বখ্যাত তারকারা সংগীত পরিবেশন করেন অনুষ্ঠানে। রাত সাড়ে ১১টার পর মঞ্চ মাতিয়ে তোলেন কিংবদন্তি গায়িকা ডায়ানা রোজ।
সন্ধ্যা ৬টায় আনুষ্ঠানিকভাবে বলটি তোলা হয় ১৩৯ ফুট উঁচু টাওয়ারে। ১২ ফিট ব্যাসার্ধের এ বলটির ওজন ১২ হাজার ফাউন্ড। ৫ হাজর ২৮০টি বর্ণিল এলইডি লাইট দিয়ে তৈরি করা হয়েছে বিখ্যাত বলটি।
রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে মিলিয়ন মানুষের হর্ষধ্বনিতে শুরু হয় কাউন্টডাউন। স্বাগত জানানো হয় নতুন বছরকে।
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার মানুষ শুভকামনা জানিয়েছেন এ উৎসবকে ঘিরে। সেই শুভকামনা লেখা ২ হাজার ফাউন্ড রঙিন কনপেতিতে ঢেকে যায় নিউ ইয়র্কের আকাশ।
রাত ১২টা ৪ মিনিটে আবারও জ্বালানো হয় ২০২৬ লেখা বলটি। অ্যামেরিকার পতাকার সাথে মিল রেখে তবে এবার জ্বলেছে শুধুই লালা সাদা নীল রং।
রে চালর্সের লেখা অ্যামেরিকা দ্য বিউটিফুল গানের সাথে সাথে প্রথমবারের মতো ব্যাতিক্রমী আয়োজনের মধ্য দিয়ে উদযাপন করা হয় অ্যামেরিকার স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র স্বাক্ষরের ২৫০ বছর পূর্তি।
ঐতিহাসিক এক সময়ের সাক্ষী হয় টাইমস স্কয়ার।
