ভালো বেতন ও পর্যাপ্ত জনবল নিয়োগের দাবিতে কাইজার পার্মানেন্টের কর্মীরা কাজ বন্ধ রেখে রাস্তায় নেমেছেন। এর মাঝ রয়েছেন ৩১ হাজার নার্স, ফার্মাসিস্ট, ফিজিশিয়ান অ্যাসিস্ট্যান্টসহ অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মী।
বিক্ষোভকারী একজন নার্স জানান, আমরা সবসময়ই জনবল সংকটে ভুগছি। জরুরি বিভাগে রোগীদের দুই, তিন, চার, এমনকি পাঁচ ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হচ্ছে।
ক্যালিফোর্নিয়া ও হাওয়াইজুড়ে হাসপাতালগুলোর সামনে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। এর ফলে কিছু অ-জরুরি ও নির্ধারিত অস্ত্রোপচার পুনঃনির্ধারণ করা হচ্ছে।
আরেকজন বিক্ষোভকারী বলেন, প্রায় এক বছর ধরে আমরা দরকষাকষি করছি। আমরা ন্যায্য মজুরি চাই—যে মজুরি কর্মী নিয়োগ, কর্মী ধরে রাখা, রোগীসেবায় প্রবেশাধিকার এবং কাজের চাপের বিষয়গুলো বিবেচনায় নেবে।
অন্যদিকে, কাইজার পার্মানেন্ট জানিয়েছে, তারা ২১ শতাংশ বেতন বৃদ্ধি প্রস্তাব দিয়েছে। তাদের মতে এই প্রস্তাব কোম্পানির ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী।
তবে ইউনিয়ন সদস্যরা বলছেন, তারা দ্রুত সমঝোতায় পৌঁছাতে আগ্রহী।
একজন নার্স বলেন, আমরা নিজেদের বেতন ছাড়ছি। এটা আমাদের তৃতীয়বার ধর্মঘটে নামা। আমরা এখানে থাকতে চাই না। সত্যি বলতে, আমরা ক্লান্ত। আমাদের মনে হয় না এখানে থাকার কথা।
ধর্মঘটকারীরা স্লোগান দিচ্ছেন, আমরাই নার্স—শক্তিশালী, অদম্য নার্সরা। এদিকে, নিউইয়র্ক সিটিতে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় নার্স ধর্মঘট আজ ১৬তম দিনে প্রবেশ করেছে। সেখানে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য সুবিধা নিয়ে একটি সমঝোতার কথা জানালেও, বেতন, জনবল সংকট ও কর্মস্থলের নিরাপত্তা নিয়ে বিরোধ এখনও রয়ে গেছে।
এই আন্দোলনের এখন সারা অ্যামেরিকা জুড়ে নার্সের তীব্র সংকট চলছে।
