দুই বাংলায় লেখালেখি দিয়ে খ্যাতি ছড়াচ্ছেন শাম্মী তুলতুল | দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও দুবাইয়ে আওয়ামী এমপি পুত্র ফারাজ করিম | যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ ২ বাংলাদেশি পিএইডি গবেষকরে মধ্যে জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ-অন্যজন এখনো নিখোঁজ | ১৫ মে ওমানে বসছে প্রবাসীদের বৈশাখের প্রাণের উৎসব মহামিলনমেলা | পুলিশের বিশেষ অভিযানে ত্রিশালে ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার | জামালপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত মনসুর আহাম্মদ: দক্ষতা ও সততার স্বীকৃতি | ত্রিশালে আধুনিক উন্নয়নের ঘোষণা ডা. লিটন এমপি | আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার | দুই বাংলায় লেখালেখি দিয়ে খ্যাতি ছড়াচ্ছেন শাম্মী তুলতুল | দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও দুবাইয়ে আওয়ামী এমপি পুত্র ফারাজ করিম | যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ ২ বাংলাদেশি পিএইডি গবেষকরে মধ্যে জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ-অন্যজন এখনো নিখোঁজ | ১৫ মে ওমানে বসছে প্রবাসীদের বৈশাখের প্রাণের উৎসব মহামিলনমেলা | পুলিশের বিশেষ অভিযানে ত্রিশালে ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার | জামালপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত মনসুর আহাম্মদ: দক্ষতা ও সততার স্বীকৃতি | ত্রিশালে আধুনিক উন্নয়নের ঘোষণা ডা. লিটন এমপি | আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার |
দুই বাংলায় লেখালেখি দিয়ে খ্যাতি ছড়াচ্ছেন শাম্মী তুলতুল | দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও দুবাইয়ে আওয়ামী এমপি পুত্র ফারাজ করিম | যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ ২ বাংলাদেশি পিএইডি গবেষকরে মধ্যে জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ-অন্যজন এখনো নিখোঁজ | ১৫ মে ওমানে বসছে প্রবাসীদের বৈশাখের প্রাণের উৎসব মহামিলনমেলা | পুলিশের বিশেষ অভিযানে ত্রিশালে ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার | জামালপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত মনসুর আহাম্মদ: দক্ষতা ও সততার স্বীকৃতি | ত্রিশালে আধুনিক উন্নয়নের ঘোষণা ডা. লিটন এমপি | আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার | দুই বাংলায় লেখালেখি দিয়ে খ্যাতি ছড়াচ্ছেন শাম্মী তুলতুল | দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও দুবাইয়ে আওয়ামী এমপি পুত্র ফারাজ করিম | যুক্তরাষ্ট্রে নিখোঁজ ২ বাংলাদেশি পিএইডি গবেষকরে মধ্যে জামিল লিমনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ-অন্যজন এখনো নিখোঁজ | ১৫ মে ওমানে বসছে প্রবাসীদের বৈশাখের প্রাণের উৎসব মহামিলনমেলা | পুলিশের বিশেষ অভিযানে ত্রিশালে ইয়াবাসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার | জামালপুর জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি নির্বাচিত মনসুর আহাম্মদ: দক্ষতা ও সততার স্বীকৃতি | ত্রিশালে আধুনিক উন্নয়নের ঘোষণা ডা. লিটন এমপি | আঞ্চলিক সহযোগিতা জোরদারে প্রতিশ্রুতি বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার |

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ধ্বংসস্তূপের ওপর দাঁড়িয়ে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার দেশগুলো একটি কঠিন বাস্তবতা বুঝেছিল: একা একা নিরাপত্তা রক্ষা করা ক্রমেই কঠিন হচ্ছে। যুদ্ধ-পরবর্তী অনিশ্চয়তা, সোভিয়েত প্রভাব বিস্তার, আর ভবিষ্যৎ বড় সংঘাত ঠেকানোর প্রয়োজন—এই তিনের মিলিত চাপ থেকে জন্ম নেয় ন্যাটো বা NATO (North Atlantic Treaty Organization) ।

আজও আন্তর্জাতিক রাজনীতির সবচেয়ে আলোচিত ও প্রভাবশালী সামরিক-রাজনৈতিক জোটগুলোর একটি হলো এই ন্যাটো। ইউক্রেইন যুদ্ধ, রাশিয়া-ইউরোপ উত্তেজনা, প্রতিরক্ষা বাজেট, সদস্যপদ সম্প্রসারণ—সবকিছুর কেন্দ্রে প্রায়ই এই জোটের নাম উঠে আসে।

কবে শুরু ন্যাটো জোটের যাত্রা?

ন্যাটোর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ৪ এপ্রিল ১৯৪৯ সালে, যখন ওয়াশিংটন ডিসিতে ১২টি দেশ North Atlantic Treaty-তে স্বাক্ষর করে। এই চুক্তিই পরে “Washington Treaty” নামেও পরিচিত হয়। শুরুতে সদস্য ছিল ১২টি দেশ; পরে ধাপে ধাপে নতুন দেশ যোগ হয়ে জোটটি বড় হতে থাকে।

প্রতিষ্ঠাতা ১২টি দেশের মধ্যে ছিল—অ্যামেরিকা, বৃটেইন, ক্যানডা, ফ্রান্স, ইটালি, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, লুক্সেমবার্গ, ডেনমার্ক, নরওয়ে, আইসল্যান্ড ও পর্তুগাল।

অর্থাৎ, ন্যাটো শুধু একটি সামরিক জোট নয়; এটি মূলত একটি নিরাপত্তা চুক্তিভিত্তিক রাজনৈতিক-সামরিক জোট।

ন্যাটোর লক্ষ্য কী?

ন্যাটো গঠনের মূল উদ্দেশ্য ছিল সম্মিলিত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। এর সবচেয়ে বিখ্যাত নীতি হলো “Collective Defense”—অর্থাৎ, এক সদস্যের ওপর হামলা মানে সব সদস্যের ওপর সকলের ওপর হামলার নীতি। এই নীতিটি ন্যাটোর Article 5-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে।

গঠনের পেছনে প্রধান লক্ষ্যগুলো ছিল:

) সোভিয়েত ইউনিয়নের প্রভাব ঠেকানো

১৯৪৯ সালে বিশ্ব ছিল কোল্ড ওয়ার ছিলো সূচনাপর্বে। পশ্চিমা দেশগুলো আশঙ্কা করছিল, সোভিয়েত ইউনিয়ন ইউরোপে আরও প্রভাব বিস্তার করতে পারে। তাই নিরাপত্তা-শ্যাডো হিসেবে ন্যাটো গঠন করা হয়।

) ইউরোপে স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর ইউরোপ ছিল ভেঙে পড়া অর্থনীতি, দুর্বল রাষ্ট্রব্যবস্থা ও অনিরাপত্তার মধ্যে। ন্যাটো এই অঞ্চলে রাজনৈতিক স্থিতি ও প্রতিরক্ষা সমন্বয় গড়ে তুলতে সাহায্য করে।

) উত্তর আমেরিকা ইউরোপকে নিরাপত্তায় এক প্ল্যাটফর্মে আনা

ন্যাটো আসলে ইউরোপীয় নিরাপত্তাকে শুধু ইউরোপের বিষয় হিসেবে দেখেনি; বরং অ্যামেরিকা ও ক্যানাডাকে সরাসরি ইউরোপীয় নিরাপত্তা কাঠামোর সঙ্গে যুক্ত করেছে।

) যুদ্ধ প্রতিরোধ

ন্যাটো শুধু যুদ্ধ করার জন্য নয়; বরং যুদ্ধ ঠেকানোর জন্যে তৈরি। এর ধারণা হলো—যদি সম্ভাব্য প্রতিপক্ষ জানে যে একটি দেশের ওপর হামলা মানেই ৩২টি দেশের প্রতিক্রিয়া, তাহলে হামলার ঝুঁকি কমে যায়।

বর্তমানে ন্যাটোর কৌশলগত ধারণায় তিনটি বড় কাজকে গুরুত্ব দেওয়া হয়:

  • Deterrence and Defence (হামলা ঠেকানো ও প্রতিরক্ষা)
  • Crisis Prevention and Management (সংকট প্রতিরোধ ও ব্যবস্থাপনা)
  • Cooperative Security (সহযোগিতামূলক নিরাপত্তা)

এই জোটের সদস্য হতে কী লাগে?

ন্যাটোতে সদস্য হওয়া খুব সহজ কোনো রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়। এটি সামরিক, রাজনৈতিক, আইনি ও কূটনৈতিক—সবদিক থেকেই একটি কঠিন প্রক্রিয়া।

মূল শর্তগুলো কী?

) দেশটি ইউরোপীয় হতে হবে

ন্যাটোর Article 10 অনুযায়ী, সদস্যপদের জন্য দেশটি “European state” হতে হবে এবং উত্তর আটলান্টিক অঞ্চলের নিরাপত্তায় অবদান রাখতে সক্ষম হতে হবে।

) গণতান্ত্রিক আইনভিত্তিক রাষ্ট্রব্যবস্থা থাকতে হবে

ন্যাটো সাধারণত এমন দেশকেই স্বাগত জানায়, যেখানে—

  • গণতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থা আছে
  • বেসামরিক নেতৃত্বের অধীনে সামরিক বাহিনী পরিচালিত হয়
  • মানবাধিকার ও আইনের শাসনের প্রতি অঙ্গীকার থাকে

) সামরিক সক্ষমতা আন্তঃকার্যকারিতা (interoperability) থাকতে হবে

ন্যাটোতে ঢুকলেই শুধু “সুরক্ষা” পাওয়া যায় না; অবদানও রাখতে হয়। তাই সদস্যপ্রার্থী দেশের সেনাবাহিনীকে এমনভাবে প্রস্তুত হতে হয়, যেন তারা ন্যাটোর অন্য সদস্যদের সঙ্গে যৌথ মহড়া, যৌথ মিশন ও প্রতিরক্ষা পরিকল্পনায় কাজ করতে পারে।

) নিরাপত্তা অবদান রাখার সক্ষমতা থাকতে হবে

শুধু নিজের দেশ রক্ষা নয়, জোটের সম্মিলিত নিরাপত্তায়ও ভূমিকা রাখতে হবে। অর্থাৎ, দেশটির সামরিক, গোয়েন্দা, সাইবার, অবকাঠামো বা লজিস্টিক সক্ষমতা গুরুত্বপূর্ণ।

) সব সদস্য দেশের সম্মতি লাগবে

এটাই সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক শর্ত। কোনো দেশকে ন্যাটোতে নেওয়া হয় সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে। অর্থাৎ, বর্তমান প্রত্যেক সদস্য দেশকে “হ্যাঁ” বলতে হয়। একজনও আপত্তি করলে সদস্যপদ আটকে যেতে পারে।

বাস্তবে কী হয়?

অনেক দেশ সদস্য হওয়ার আগে দীর্ঘ সময় ধরে সংস্কার, প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণ, দুর্নীতি কমানো, সামরিক সমন্বয় ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালায়। ফলে ন্যাটো সদস্যপদ শুধু সামরিক ছাতা নয়; এটি অনেক দেশের জন্য পশ্চিমা রাজনৈতিক-নিরাপত্তা ব্যবস্থায় প্রবেশের প্রতীক।

 বর্তমানে এর সদস্য কত?

বর্তমানে ন্যাটোর সদস্য সংখ্যা ৩২টি। সর্বশেষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে ফিনল্যান্ড (২০২৩) এবং সুইডেন (২০২৪) জোটে যোগ দেয়।

এটি গুরুত্বপূর্ণ, কারণ দীর্ঘদিন ধরে নিরপেক্ষতার নীতি অনুসরণ করা দেশও এখন ইউরোপীয় নিরাপত্তা বাস্তবতার কারণে ন্যাটোতে যোগ দিচ্ছে। বিশেষ করে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর উত্তর ইউরোপে নিরাপত্তা উদ্বেগ অনেক বেড়েছে।

কেন সদস্য সংখ্যা বাড়ছে?

  • রাশিয়া-নিরাপত্তা উদ্বেগ
  • সামরিক প্রতিরোধ জোরদার করা
  • অ্যামেরিকা-ইউরোপ প্রতিরক্ষা সম্পর্ক আরও শক্ত করা
  • যৌথ গোয়েন্দা ও সাইবার প্রতিরক্ষা সুবিধা পাওয়া

অর্থাৎ, ন্যাটো আজও “কোল্ডওয়ারের পুরোনো জোট” হয়ে বসে নেই; বরং পরিবর্তিত ভূরাজনীতির সঙ্গে নিজেকে নতুনভাবে খাপ খাইয়ে নিচ্ছে।

 এই জোটের প্রধান কীভাবে নির্বাচন করা হয়?

ন্যাটোর রাজনৈতিক মুখ বা সর্বোচ্চ বেসামরিক পদধারী হচ্ছেন সেক্রেটারি জেনারেল—বাংলায় বলা যায় মহাসচিব। বর্তমানে এই পদে আছেন মার্ক রুটা।

তবে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো: ন্যাটোর “প্রধান” বলতে আসলে কোনো একক শাসক নেই। কারণ ন্যাটো একটি জোট; এখানে সিদ্ধান্ত একক ব্যক্তির হাতে নয়, বরং সদস্য রাষ্ট্রগুলোর হাতে।

তাহলে মহাসচিব কীভাবে নির্বাচিত হন?

১) সদস্য দেশগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক সমঝোতার মাধ্যমে

ন্যাটোর মহাসচিব ভোটের আনুষ্ঠানিক প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনে নয়, বরং সাধারণত সদস্য দেশগুলোর ঐকমত্যে নির্বাচিত হন।

২) উত্তর আটলান্টিক কাউন্সিল (NAC) গুরুত্বপূর্ণ

ন্যাটোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্তগ্রহণকারী সংস্থা হলো নর্থ আটলান্টিক কাউন্সিল-ন্যাক। মহাসচিব নিয়োগের বিষয়েও সদস্য দেশগুলোর ঐকমত্য এখানে গড়ে ওঠে।

৩) সাধারণত ইউরোপীয় কেউ মহাসচিব হন প্রথাগতভাবে ন্যাটোর মহাসচিব সাধারণত ইউরোপীয় দেশ থেকে আসেন। অন্যদিকে, ন্যাটোর সামরিক কাঠামোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদ সুপ্রীম অ্যালাইড কমান্ডার ইউরোপ-সাসিউর সাধারণত অ্যামেরিকান একজন জেনারেল পান। এটি আনুষ্ঠানিক আইন নয়, তবে দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক রীতি।

মহাসচিবের কাজ কী?

  • সদস্য দেশগুলোর মধ্যে ঐকমত্য তৈরি করা
  • ন্যাটোর রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরা
  • বৈঠক, শীর্ষ সম্মেলন ও নীতিনির্ধারণী আলোচনায় নেতৃত্ব দেওয়া
  • সংকটকালে জোটের কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক সমন্বয় করা

অর্থাৎ, মহাসচিব “কমান্ডার” নন; বরং তিনি জোটের প্রধান রাজনৈতিক সমন্বয়ক ও মুখপাত্র।

ন্যাটোর অর্থায়ন হয় কীভাবে?

ন্যাটো নিয়ে সবচেয়ে বড় ভুল ধারণাগুলোর একটি হলো—অনেকে ভাবেন, সব টাকা বুঝি শুধু যুক্তরাষ্ট্র দেয়। বাস্তবতা একটু বেশি জটিল।

ন্যাটোর অর্থায়ন হয় দুইভাবে:
১) Direct Contributions (দেশগুলো সরাসরি অর্থয়ান করে)
২) Indirect Contributions (পরোক্ষ বা জাতীয় অবদান)

এছাড়াও রয়েছে

১) Direct Contributions — জোটের “কমন ফান্ড”

এটি হলো সেই অর্থ, যা সদস্য দেশগুলো ন্যাটোর সাধারণ বাজেট চালাতে দেয়। এই অর্থ দিয়ে জোটের কিছু কেন্দ্রীয় ব্যয় মেটানো হয়।

ন্যাটোর তিনটি প্রধান কমন-ফান্ডেড বাজেট হলো:

  • Civil Budget
    ন্যাটো সদরদপ্তর ও বেসামরিক প্রশাসনিক খরচের জন্য।
  • Military Budget
    ন্যাটোর সামরিক কমান্ড কাঠামো ও সামরিক কার্যক্রমের জন্য।
  • NATO Security Investment Programme (NSIP)
    অবকাঠামো, ঘাঁটি, যোগাযোগব্যবস্থা, কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল, এয়ার ডিফেন্সসহ যৌথ সামরিক সক্ষমতার জন্য।

ন্যাটোর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালে কমন ফান্ডের আকার ছিল আনুমানিক ৪.৬ বিলিয়ন ইউরো, আর ২০২৬ সালের জন্য এটি প্রায় ৫.৩ বিলিয়ন ইউরো পর্যন্ত নির্ধারিত হয়েছে।

২) Indirect Contributions— জাতীয় প্রতিরক্ষা ব্যয়

এটাই আসলে ন্যাটোর অর্থায়নের সবচেয়ে বড় অংশ। প্রতিটি সদস্য দেশ তাদের নিজস্ব সেনাবাহিনী, অস্ত্র, মহড়া, প্রতিরক্ষা সক্ষমতা, ঘাঁটি, জনবল, বিমান, জাহাজ, সাইবার অবকাঠামো—এসবের পেছনে যে জাতীয় বাজেট খরচ করে, সেটিই পরোক্ষভাবে ন্যাটোর শক্তি বাড়ায়।

অর্থাৎ, কোনো দেশ শুধু “চাঁদা” দিলেই দায়িত্ব শেষ নয়; তাকে নিজের প্রতিরক্ষা সক্ষমতাও বাড়াতে হয়।

 

সদস্যরা কত টাকা দেয়তা কীভাবে নির্ধারিত হয়?

ন্যাটোর কমন বাজেটে সদস্যদের অবদান সাধারণত একটি যৌথ ব্যায় বহনকারী পদ্ধতির মাধ্যমে মাধ্যমে নির্ধারিত হয়, যা মূলতঃ সদস্য দেশের গ্রস ন্যাশনাল ইনকামের ওপর ভিত্তি করে হিসাব করা হয়। সহজ করে বললে, বড় অর্থনীতির দেশ বেশি দেয়, ছোট অর্থনীতির দেশ কম দেয়।

কে এই অর্থব্যবস্থা তদারকি করে?

  • North Atlantic Council (NAC)
  • Resource Policy and Planning Board (RPPB)
  • Budget Committee
  • Investment Committee

অর্থাৎ, ন্যাটোর অর্থায়নও রাজনৈতিক সমঝোতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহির কাঠামোর মধ্যে পরিচালিত হয়।

ন্যাটোকে শুধু “সামরিক জোট” বলে দেখলে পুরো ছবিটা ধরা যায় না। এটি একদিকে যেমন পারস্পরিক প্রতিরক্ষার চুক্তি, অন্যদিকে তেমনি রাজনৈতিক আস্থা, কৌশলগত সমন্বয় এবং পশ্চিমা নিরাপত্তা কাঠামোর কেন্দ্রবিন্দু।

 

মেনু

খাগড়াছড়ির গুইমারায় বাজারে আগুন, পুড়ল তেলের দোকান ও খাবার হোটেলহামের পর শিশুদের কেন নিউমোনিয়া হচ্ছেআপেল পড়ে, টিকটিকি পড়ে না কেন৫০ বছর ধরে একসঙ্গে থাকেন ৬ ভাইব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের বিতর্কিত ধারা বাতিল হবে‘সব জিনিসের দাম বাড়ে, হামাগো দাম বাড়ে না’ইবোলা আতঙ্কে স্পেনে ডিআর কঙ্গোর বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচ বাতিলভাগনিকে বাইক চালানো শেখাতে গিয়ে ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কায় মামার মৃত্যুসিলেটে সুইচ গিয়ার চাকু নিষিদ্ধ করে পুলিশের গণবিজ্ঞপ্তিসরকারকে সাহসী ও যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নিতে হবেDominion still has pending lawsuits against election deniers such as Rudy Giuliani and Sidney PowellRussia is 'going backwards' in equipment and deploying post WWII-era tanks, according to Western officialsPodcast: One country musician is calling for other artists to oppose assault riflesBidets save you money and reduce waste — we tested the best options out there50+ products to make your life easier and our planet cleanerMother's Day is around the corner. Here are 50+ thoughtful gifts she'll loveA head-to-toe guide of how men should dress this spring, and where they should shop42 of the most useful travel products you can buy on AmazonThe 7 best high-yield savings accounts of April 2023Taxes are due tomorrow. Here's how to file for an extensionAn Aaron Judge injury absence would put Yankees’ roster to a telling testBall bounces off of Jo Adell’s head and over wall for home run in wild sceneMatt Mahan concedes just minutes after polls close in humiliating endJosh Jacobs practicing with Packers despite disturbing allegations emerging after arrestKaren Bass and Spencer Pratt lead Nithya Raman for Los Angeles mayor in early resultsRacist state trooper resigns in disgrace after wife reveals shocking ‘white supremacist’ messages in divorce filingsCory Booker learns his GOP opponent in New Jersey Senate raceKarmelo Anthony still raking in donations even as Texas murder trial gets underway — and his $690K in fundraising could help him winAlbany Democrats poised to impose 1-year ban on new AI data center construction in NYAaron Glenn has simple message to Jets over lack of primetime gamesTrump Endorses Abelardo De La Espriella, Right-Wing Presidential Candidate in ColombiaDear President OzymandiasTrump Has Failed as Commander in ChiefU.S. Is Said to Be Investigating George Santos Over Kalshi BettingSupreme Court Clears the Way for Republican-Friendly Map in AlabamaCBS News Fires Scott Pelley of ‘60 Minutes’9 Counties to Watch in the California Governor’s RaceJustice Dept. Won’t Proceed With Trump’s $1.8 Billion Fund, Blanche SaysGraham Platner Meets With Senate Democrats Amid Texting ScandalTop Texas Election Official to Resign, Months Before General Contestখাগড়াছড়ির গুইমারায় বাজারে আগুন, পুড়ল তেলের দোকান ও খাবার হোটেলহামের পর শিশুদের কেন নিউমোনিয়া হচ্ছেআপেল পড়ে, টিকটিকি পড়ে না কেন৫০ বছর ধরে একসঙ্গে থাকেন ৬ ভাইব্যাংক রেজোল্যুশন আইনের বিতর্কিত ধারা বাতিল হবে‘সব জিনিসের দাম বাড়ে, হামাগো দাম বাড়ে না’ইবোলা আতঙ্কে স্পেনে ডিআর কঙ্গোর বিশ্বকাপ প্রস্তুতি ম্যাচ বাতিলভাগনিকে বাইক চালানো শেখাতে গিয়ে ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কায় মামার মৃত্যুসিলেটে সুইচ গিয়ার চাকু নিষিদ্ধ করে পুলিশের গণবিজ্ঞপ্তিসরকারকে সাহসী ও যৌক্তিক সিদ্ধান্ত নিতে হবেDominion still has pending lawsuits against election deniers such as Rudy Giuliani and Sidney PowellRussia is 'going backwards' in equipment and deploying post WWII-era tanks, according to Western officialsPodcast: One country musician is calling for other artists to oppose assault riflesBidets save you money and reduce waste — we tested the best options out there50+ products to make your life easier and our planet cleanerMother's Day is around the corner. Here are 50+ thoughtful gifts she'll loveA head-to-toe guide of how men should dress this spring, and where they should shop42 of the most useful travel products you can buy on AmazonThe 7 best high-yield savings accounts of April 2023Taxes are due tomorrow. Here's how to file for an extensionAn Aaron Judge injury absence would put Yankees’ roster to a telling testBall bounces off of Jo Adell’s head and over wall for home run in wild sceneMatt Mahan concedes just minutes after polls close in humiliating endJosh Jacobs practicing with Packers despite disturbing allegations emerging after arrestKaren Bass and Spencer Pratt lead Nithya Raman for Los Angeles mayor in early resultsRacist state trooper resigns in disgrace after wife reveals shocking ‘white supremacist’ messages in divorce filingsCory Booker learns his GOP opponent in New Jersey Senate raceKarmelo Anthony still raking in donations even as Texas murder trial gets underway — and his $690K in fundraising could help him winAlbany Democrats poised to impose 1-year ban on new AI data center construction in NYAaron Glenn has simple message to Jets over lack of primetime gamesTrump Endorses Abelardo De La Espriella, Right-Wing Presidential Candidate in ColombiaDear President OzymandiasTrump Has Failed as Commander in ChiefU.S. Is Said to Be Investigating George Santos Over Kalshi BettingSupreme Court Clears the Way for Republican-Friendly Map in AlabamaCBS News Fires Scott Pelley of ‘60 Minutes’9 Counties to Watch in the California Governor’s RaceJustice Dept. Won’t Proceed With Trump’s $1.8 Billion Fund, Blanche SaysGraham Platner Meets With Senate Democrats Amid Texting ScandalTop Texas Election Official to Resign, Months Before General Contest

সম্পাদক : সংযোগ বাংলা সম্পাদনা পরিষদ
প্রকাশক : ব্র‍্যাদার্স কমিউনিকেশন
ফোন : +৮৮০১৯৭৩৫৩২৭৩২
বিজ্ঞাপন :+৮৮০১৯৬৫৯১৭৮৩৯
ই-মেইল: mail@songjogbangla.com

ফলো করুন Songjog Bangla – এর খবর

সব ধরনের নিউজ আপডেট পেতে সাবস্ক্রাইব করুন

Exit mobile version