বাংলাদেশ রেলওয়ের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে জানান, ট্রেনের পাওয়ার কার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয় এবং পরে তা একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) কোচে ছড়িয়ে পড়ে। তবে আগুন আরও ভয়াবহ রূপ নেওয়ার আগেই যাত্রীরা নিরাপদ স্থানে সরে যেতে সক্ষম হন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় যাত্রীদের মধ্যে তীব্র আতঙ্ক দেখা দেয়। অনেকে হুড়োহুড়ি করে ট্রেন থেকে নেমে পড়েন।
কুমিরা ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা আহসান আলী বলেন, পাওয়ার কার থেকে পার্শ্ববর্তী কোচে আগুন ছড়িয়ে পড়ার খবর পেয়ে অগ্নিনির্বাপক কর্মীরা দ্রুত ব্যবস্থা নেন। এ ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি এবং আগুনের কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা সম্ভব হয়নি। আগুনে ট্রেনের দুটি কোচ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
দুর্ঘটনার সময় ১৬টি বগির ওই ট্রেনে ৬০০ জনেরও বেশি যাত্রী ছিলেন বলে জানান কর্মকর্তারা।
মো. আনিসুর রহমান জানান, সকাল পৌনে ৯টার দিকে কর্তৃপক্ষ ট্রেনটি পুনরায় চলাচলের অনুমতি দেয়। ক্ষতিগ্রস্ত কোচ দুটি রেখে বাকি বগিগুলো নিয়ে ট্রেনটি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়।
সুত্রঃ The Daily Star বাংলা
