দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে জাতীয় দলের জার্সিতে দেখা যায়নি তাকে। মাঠের বাইরে রাজনৈতিক অস্থিরতা আর নানা বিতর্কের মাঝে যেন হারিয়ে যেতে বসেছিলেন বাংলাদেশের ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় তারকা সাকিব আল হাসান। তবে অবশেষে কেটেছে সব শঙ্কা।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সা
কিবের জাতীয় দলে ফেরার পথ খুলে দিয়েছে। ফিরে আসার এই সিদ্ধান্ত ঘিরে ক্রিকেট অঙ্গনে বইছে উন্মাদনার ঝড়।
এক বছর আগে রাজনৈতিক পালাবদলের ডামাডোলে অনেকটা নীরবেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছিলেন সাকিব। কিন্তু তার মতো একজন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের অনুপস্থিতি হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছে বাংলাদেশ দল। অবশেষে, নাটকীয় এক বোর্ড সভার পর বিসিবি জানিয়েছে, যদি সাকিব ফিট থাকেন এবং দলের প্রয়োজনে নিজেকে মাঠে হাজির করতে পারেন, তবে নির্বাচকরা তাকে অবশ্যই বিবেচনা করবেন।
সাকিব নিজেও সম্প্রতি জানিয়েছেন যে, তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে অবসর নেননি, বরং দেশের মাটিতে শেষবারের মতো একটি পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলেই বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের ইতি টানতে চান। বিসিবির এই সিদ্ধান্ত সেই স্বপ্ন পূরণের দ্বারপ্রান্তে এনে দিয়েছে কোটি ভক্তকে। তবে তার এই ফেরা নির্ভর করছে ফিটনেস এবং আইনগত কিছু জটিলতা নিরসনের ওপর।
মাঠের বাইরে নানা আলোচনা-সমালোচনা থাকলেও, সাকিবের প্রত্যাবর্তন যে দলের জন্য স্বস্তির খবর, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ভক্তরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন, কবে আবার ২২ গজে দেখা যাবে সেই চেনা দৃশ্য – বল হাতে ঘূর্ণি জাদু আর ব্যাট হাতে দলের কাণ্ডারি হিসেবে সাকিব আল হাসানকে!
সাকিবের এই সম্ভাব্য ফেরা বাংলাদেশ ক্রিকেটে নতুন করে আশা জাগাচ্ছে। তার অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা আসন্ন সিরিজগুলোতে দলের পারফরম্যান্সে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলেই আশা করা যায়।
