গত বছর আইপিএলে অভিষেক মৌসুমেই চমক দেখিয়েছিলেন এই তরুণ। নিজের খেলা প্রথম বলেই হাঁকিয়েছিলেন ছক্কা, অন্য একটি ম্যাচে করেছিলেন মাত্র ৩৫ বলে সেঞ্চুরি! শুধু ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগেই নয়, এই বছরের শুরুতে ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জয়েও বড় ভূমিকা ছিল তার, জিতেছিলেন প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্টের খেতাব।
বৈভবের এমন ধারাবাহিকতা ও পরিণত ব্যাটিং দেখে নিজের অবস্থান পাল্টেছেন মোহাম্মদ কাইফ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) তিনি লিখেছেন, ‘গত মৌসুমে আমার মনে হয়েছিল বৈভবকে নিয়ে একটু বেশি আগেই মাতামাতি হচ্ছে। একজন সাবেক ক্রিকেটার হিসেবে আমি মনে করি, তরুণদের দ্রুত জাতীয় দলে সুযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে তাড়াহুড়ো করা উচিত নয়। কিন্তু এক বছর পর আমার মনে হচ্ছে, সে পরবর্তী ধাপে যাওয়ার জন্য এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। ১৫ বছরের এই ছেলেটি যেমন দর্শকদের আনন্দ দিতে পারে, তেমনি ম্যাচ জেতানো ইনিংসও খেলতে পারে।’
একই সুর শোনা গেছে সাবেক লেগ-স্পিনার পীযূষ চাওলার কণ্ঠেও। ইএসপিএন ক্রিকইনফোকে তিনি বলেন, ‘সে যদি এভাবেই খেলতে থাকে, তবে তাকে দ্রুত জাতীয় দলে দেখতে আমার দারুণ লাগবে। গত এক বছর ধরে অনূর্ধ্ব-১৯ কিংবা ঘরোয়া ক্রিকেট, যেখানেই সে খেলেছে, সেঞ্চুরি পেয়েছে। এবং সেগুলো শুধু সেঞ্চুরি নয়, রীতিমতো বড় বড় সেঞ্চুরি করেছে সে।’
বৈভবের প্রতিভায় মুগ্ধ ভারতের আরেক প্রাক্তন তারকা আম্বাতি রাইডুও। ক্রিকইনফোকে তিনি বলেন, ‘দেশের বাকি তরুণদের চেয়ে সে অনেকটাই আলাদা। সে এমন একজন প্রতিভা, যে নিশ্চিতভাবেই ভবিষ্যতে ভারতীয় ক্রিকেটের জন্য দারুণ কিছু করবে। আমি জানি না ঠিক কবে, তবে ভবিষ্যতে সে করবেই।’
তবে রাইডু বাস্তবতার কথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন। সদ্য টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতা ভারতীয় দলে এই তরুণ ওপেনারের জায়গা পাওয়াটা আপাতত কঠিন বলেই মনে করেন তিনি, ‘ভুলবেন না, আমাদের দল এখন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। সদ্যই তারা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে। তাই এই বিশ্বজয়ী দলে হঠাৎ করে কারও জায়গা নেওয়াটা মোটেও সহজ নয়। আমার মতে, এই মুহূর্তে তার সামনে আরও কয়েকজন খেলোয়াড় রয়েছে, কারণ পরবর্তী আইসিসি টুর্নামেন্টগুলোর কথা মাথায় রেখে দল নির্বাচন করা হয়।’
সুত্রঃ দ্য ডেইলি স্টার বাংলা
